Marindriveinbangladesh



  বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হল কক্সবাজার এই সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য প্রতিনিয়ত দেশী বিদেশি পর্যটকরা এখানে ভীড় জমায় আর পর্যটকদের সুবিধার জন্য জন্য এখানে নির্মাণ করা হয়েছে মেরিন ড্রাইভেওয়ে। 


বিশ্বের সবচেয়ে বড় মেরিন ড্রাইভ বাংলাদেশর কক্সবাজারে অবস্থিত।

এর দৈর্ঘ ৮০ কিলোমিটার যা ভারতের মুম্বাইয়ে কুইন্স নেকলেস প্রকল্পের চেয়েও দীর্ঘ এ মেরিন ড্রাইভ (সাগরের সড়ক)। এর মধ্য দিয়ে দেশি বিদেশি পর্যটকরা নতুন পরিবেশে দেখবেন সাগর-পাহাড় আর সৈকতের অপরুপ দৃশ্য, পাহাড়ি ঝরনার স্বচ্ছ জলধারা, ইনানী সৈকত, পাটোয়ার টেকের পাথুরে স্তুপের শোভা ও সড়ক পাশের বিস্তীর্ণ উপকূলের সৌন্দর্য। 

সাগরপারের প্রাকৃতিক আবহাওয়া উপভোগ করার জন্য প্রতিনিয়ত ভিড় জমায় পর্যটকরা।যা পর্যটকদের জন্য নতুন কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয়েছে এ সরকটি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে  সুসম্পন্ন হয়েছে জাতীয় উন্নয়নে নতুন মাত্রা যুক্ত করা এ প্রকল্পে। কক্সবাজারের কাকতলী থেকে টেকনাফের সাবরাং অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রার্যন্ত সাগরপাড়ের এ সড়ক নির্মাণে সময় লেগেছে প্রায় ২৪ বছর। ১৯৯৩ সালে এ প্রকল্পের কাজ হাতে নেয়া হয়। তিন ধাপে নির্মিত এ মেরিন ড্রাইভ প্রকল্পে সম্পন্ন হয়, প্রথম ধাপে ২৪ কিলোমিটার, দ্বিতীয় ধাপে ২৪ কিলোমিটার এবং সর্বশেষ তৃতীয় ধাপে ৩২ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়। মেরিন ড্রাইভ নির্মাণে ব্যায় হয়েছে ১০৪০ কোটি টাকা।



এর দুপ পাশে হাটার জন্য ব্যবস্থা ও রয়েছে এবং পর্যটকদের সুবিধার জন্য সড়কের উপরে পোভম্যান,শেড, গাড়ি পার্কিং এর সুবিধা রয়েছে। সড়কপথে রয়েছে তিনটি বড় আরসিসি সেতু, ৪২ টি কালভার্ট, ৫০ হাজার মিটার সিসি ব্লক, জিও টেক্সটাই এবং তিন হাজার মিটার সসার ড্রেন।

শুধু পর্যটন খাত নয়, জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে ও এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, মেরিন ড্রাইভওয়ে নির্মাণের ফলে ঐ অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়নের এক নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post